শুধু একটা গানের জন্য
চিত্রহার চলছিল পাশের ঘরে। এই ঘর থেকে আয়নার রিফ্লেকশনে দেখে ফেলেছি। কী গান দেখলাম—বাপ রে! সেই শুরু… নাইনে ক্লাস টেস্টের অঙ্ক খাতা বেরিয়েছিল, লুকিয়ে ফেললাম। তারপর লুকিয়ে লুকিয়ে বাড়িতে থাকছি খাচ্ছি ঘুমচ্ছি। আমায় আর কেউ খুঁজে পাচ্ছে না। চিলেকোঠার একটা ঘুপচি মতো ঘরে, ভাঙা বেতের চেয়ারে বসে বসে দিব্যি কেটে যাচ্ছে জীবন। সারাদিন একটা দোল দোল ব্যাপার। শীর্ষেন্দুর থেকে সুনীলকে আপন লাগছে বেশি। বুবাই, উৎপল, বাপ্পা—বাড়ির সামনে এসে খুব করে সাইকেলের বেল বাজাচ্ছে… বিকেলের মাঠ ডাকছে… মাঠের উল্টোদিকের বারান্দায় বসে আমাদের খেলা দেখে ( আমরা তাই ভাবতাম। ভেবে খুশি থাকতাম।) তিনটে মেয়ে । গোল খেয়ে বা করে আমরা সবাই সেই বারান্দার দিকে একবার অন্তত দেখেছি। এখন সেই মেয়েগুলোর সামনে হাফপ্যান্ট পরে দৌড়াদৌড়ি করতে ইচ্ছে করছে না। ওপর থেকেই শর্ত রাখলাম। ক্রিকেট হলে যেতে পারি। ওরা চলে গেল। আমি বাঁচলাম। এরপর একদিন লুকিয়ে রাখা অঙ্ক খাতা খুঁজে পেল মা। এই অঙ্কে ‘ভালো’ হওয়ার নমুনা। উনচল্লিশ—ছি ছি! আমি অঙ্কে ‘ভালো’—এটা রটিয়েছেন মাইতিবাবু, আমারই অঙ্কের মাস্টারমশাই। বাবা মাসের শ...



