ময়ূর
মনুর গাড়ির চাকা নেই। হেডলাইট তুবড়ে গেছে। তবু চলছে। বারান্দা জুড়ে গোল-গোল, শূন্য-শূন্য খেলা। আমি কাছেই ছিলাম। আবার দূরে দূরেও। বহুত দূরে। বড়োরা যেমন থাকে আরকি! গাড়ি এখানে ধাক্কা দিচ্ছে, ওখানে দিচ্ছে—কিন্তু কেউ তেমন দেখছে না। শেষে মনু গাড়ি ছেড়ে ময়ূরের গল্প ফেঁদে বসল। --হুই মোর! আমি একটু অবাক হয়েই বললাম, ময়ূর এখানে? কোথায়? --হুই…খানে। সত্যিই ময়ূর। টুকুর টুকুর দুলে দুলে হাঁটছে। সর্পগন্ধা ঝোঁপের ওপর দিয়ে, ছোটো ছোটো হলুদ ফুলগুলো বাঁচিয়ে বাঁচিয়ে। খুব ইছে হল,ময়ূরটাকে আমার ভাঙা স্টুডিওয় ডাকি। সামনে বসিয়ে নানা অ্যাঙ্গেল থেকে ধরি। দিনের আলোয় আঁকি। চাঁদের আলোয় আঁকি। কাছে রেখে দিই। --মনু ওই ময়ূরটাকে ধরতে পারবি?

